মিটুল হোসেন মিঠু |
রাজধানীর মোহাম্মদপুর পুরোনো থানার পাশে ওএমএস (খোলাবাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি) কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ডিলারের খাতায় দায়িত্বপ্রাপ্ত খাদ্য পরিদর্শকের স্বাক্ষর না থাকলেও বিক্রির অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খাদ্য পরিদর্শক নান্নুর বিরুদ্ধে।
এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে ১৯ নবেম্বর ২০২৫ সালে ২১ দিনের জন্য অব্যাহতি দেওয়া হয় তাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ডিলার শাহাবুদ্দিনের ট্রাক সকাল ৯টায় বিক্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর কথা থাকলেও প্রায় ১০টার দিকে সেখানে পৌঁছায়। এতে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হয় সাধারণ ক্রেতাদের। তাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বস্তাসহ ওএমএসের পণ্য বিক্রির অভিযোগও করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য পরিদর্শক নান্নু বলেন, “আমি আরেক জায়গায় গিয়েছিলাম। যার কারণে আমি বিক্রি করার জন্য বলে দিয়েছি।”
এদিকে আরেক ডিলার একরামের বিরুদ্ধেও রয়েছে ঠিকানা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ। কাগজপত্রে দেওয়া ঠিকানায় তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, এক ঠিকানা দেখিয়ে অন্য স্থানে ওএমএসের পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।
এসব বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসরীন সুলতানা লিপির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। একই বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হাসানের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সরকারের দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য পরিচালিত ওএমএস কর্মসূচিতে এমন অভিযোগে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
প্রিন্ট
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 




















