ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৬ নম্বর নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামের ফারুক আহমেদকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে, ফারুক আহমেদ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব মুহাঃ আখতারুজ্জামানের আপন ভাই। তার ভাইয়ের প্রভাব ও সুপারিশের কারণেই ফারুক আহমেদ সার ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগকারীদের দাবি, সার ডিলার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ফারুক আহমেদের রয়েছে কি না, তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বর্তমানে সার ডিলারশিপ পাওয়ার পর সেজিয়া বাজারে একটি দোকান ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, উপ-সচিব মুহাঃ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরও প্রভাব খাটিয়ে স্বজনকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
প্রশ্ন উঠেছে—ফারুক আহমেদ সার ডিলার হওয়ার নির্ধারিত যোগ্যতা কীভাবে পূরণ করলেন, তার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উপ-সচিবের কোনো সুপারিশ বা প্রভাব ছিল কি না সত্যতা যাচাই করা হয়েছে কি না।
বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রিন্ট
স্টাফ রিপোর্টার : 
















