ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

মাগুরার শ্রীপুরের ভূমি অফিসে দুর্নীতি, নায়েব শামীমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৭ নম্বর সব্দালপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শামীমের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শামীম টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না এবং অর্থের বিনিময়ে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করেন। তার এই প্রক্রিয়ায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ, যারা পরবর্তীতে জমি নিয়ে মামলা ও জটিলতায় পড়ছেন।
জমির নামজারি সরজমিনে যাচাই না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অনুমোদন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান, শামীম দালাল চক্রের সহায়তায় অবৈধভাবে বিভিন্ন জমি সংক্রান্ত কাজের অনুমোদন দিচ্ছেন। দালালদের মাধ্যমে কাজ করায় ভূমি মালিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
কোন জমির দাখিলে ৫০০ টাকা হলে (নায়েব) শামীম ওই জমির মালিকের নিকট থেকে নেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তাছাড়া মোটা অংকের ঘুসের বিনিময়ে খাস জমি দেয়ার বন্ধবস্ত করে দেন তিনি।
একজন ভুক্তভোগী, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানান, “আমি জমির নামজারি করতে অনেক চেষ্টার পরেও সঠিক কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। টাকা না দিলে কোনো কাজ হয় না।” তার মতো আরও অনেকেই জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিজেদের সম্পত্তি নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নায়েব শামীম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে এসিল্যান্ডের কাছে জানানো হোক।” তবে সাংবাদিকদের সাথে তিনি বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি। আরো বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে দেখুন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

মাগুরার শ্রীপুরের ভূমি অফিসে দুর্নীতি, নায়েব শামীমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৮:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৭ নম্বর সব্দালপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শামীমের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শামীম টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না এবং অর্থের বিনিময়ে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করেন। তার এই প্রক্রিয়ায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ, যারা পরবর্তীতে জমি নিয়ে মামলা ও জটিলতায় পড়ছেন।
জমির নামজারি সরজমিনে যাচাই না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অনুমোদন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান, শামীম দালাল চক্রের সহায়তায় অবৈধভাবে বিভিন্ন জমি সংক্রান্ত কাজের অনুমোদন দিচ্ছেন। দালালদের মাধ্যমে কাজ করায় ভূমি মালিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
কোন জমির দাখিলে ৫০০ টাকা হলে (নায়েব) শামীম ওই জমির মালিকের নিকট থেকে নেন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তাছাড়া মোটা অংকের ঘুসের বিনিময়ে খাস জমি দেয়ার বন্ধবস্ত করে দেন তিনি।
একজন ভুক্তভোগী, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানান, “আমি জমির নামজারি করতে অনেক চেষ্টার পরেও সঠিক কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। টাকা না দিলে কোনো কাজ হয় না।” তার মতো আরও অনেকেই জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিজেদের সম্পত্তি নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নায়েব শামীম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে এসিল্যান্ডের কাছে জানানো হোক।” তবে সাংবাদিকদের সাথে তিনি বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি। আরো বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে দেখুন।


প্রিন্ট