ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদে, আহত ১ রাজাপুরে রাতের অভিযানে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড, ইয়াবা ও মাদকসেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় রোগীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাগুরা জেলা পুলিশের তড়িৎ অভিযানে ৩ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বান্দরবানে ২০ বছর পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উসিংনু মার্মা গ্রেফতার মধুখালীতে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেপ্তার বরগুনায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২৬ এর শুভ উদ্বোধন বৃদ্ধা মায়ের আকুতি: আমার সব সন্তানেরই অধিকার আছে, মেজ ছেলে কিছুই দিচ্ছে না রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরকিয়ার জেরে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ি কারাগারে

গাজীপুরে অব্যহতির ৭ বছর, তবুও হাবিবুর রহমান কে আওয়ামী ট্যাগে মামলার অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি |
গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয় ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই। এরপর থেকে দলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় আসামি করা হচ্ছে। যা এখনোও অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান তাঁর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা ও অভিযোগ বলেন।
তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগ, পর্যায়ক্রমে যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে দলের নেতাকর্মীদের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে স্বেচ্ছায় ২০১৯ সালের ২ মে দল থেকে অব্যহতি চান। একই বছরের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে অব্যহতি দেয় হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ এর আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁর নামে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি ওই বছরের ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন। জেল খেটে ৫ নম্ভেম্বর জামিনে বের হন। চলতি বছরের ২৩ জুন তার নামে আরো একটি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অথচ একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আসামী করাচ্ছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি আরো বরেন, আমি আরো কোন দলের রাজনীতি সাথে যুক্ত হব না। ইউনিয়নের জনগণ আমাকে ভালবাসে, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমি তাদের সুখ-দু:খের সাথী হয়ে থাকতে চাই।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চেয়ারম্যানের চেয়ারের দিকে যাদের নজর তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোক দিয়ে এসব মামলা করে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। এসমব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স খাদে, আহত ১

গাজীপুরে অব্যহতির ৭ বছর, তবুও হাবিবুর রহমান কে আওয়ামী ট্যাগে মামলার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি |
গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয় ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই। এরপর থেকে দলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় আসামি করা হচ্ছে। যা এখনোও অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান তাঁর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা ও অভিযোগ বলেন।
তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগ, পর্যায়ক্রমে যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে দলের নেতাকর্মীদের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে স্বেচ্ছায় ২০১৯ সালের ২ মে দল থেকে অব্যহতি চান। একই বছরের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে অব্যহতি দেয় হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ এর আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁর নামে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি ওই বছরের ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন। জেল খেটে ৫ নম্ভেম্বর জামিনে বের হন। চলতি বছরের ২৩ জুন তার নামে আরো একটি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অথচ একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আসামী করাচ্ছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি আরো বরেন, আমি আরো কোন দলের রাজনীতি সাথে যুক্ত হব না। ইউনিয়নের জনগণ আমাকে ভালবাসে, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমি তাদের সুখ-দু:খের সাথী হয়ে থাকতে চাই।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চেয়ারম্যানের চেয়ারের দিকে যাদের নজর তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোক দিয়ে এসব মামলা করে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। এসমব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।


প্রিন্ট