ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা! চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের! গাজীপুরে সিটি কর্পোরেশন উদ্দোগে পরিবেশবান্ধব মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ শুরু রাজাপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ, গোডাউন মালিককে জরিমানা নলছিটিতে পৃথক অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৪ গাজীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় মারধর: যুবদল নেতা বহিষ্কার জয়পুরহাটে ডিবির পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার নারী ব্যবসায়ীসহ দুই মাদক কারবারি কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান 

গাজীপুরে অব্যহতির ৭ বছর, তবুও হাবিবুর রহমান কে আওয়ামী ট্যাগে মামলার অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি |
গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয় ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই। এরপর থেকে দলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় আসামি করা হচ্ছে। যা এখনোও অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান তাঁর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা ও অভিযোগ বলেন।
তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগ, পর্যায়ক্রমে যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে দলের নেতাকর্মীদের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে স্বেচ্ছায় ২০১৯ সালের ২ মে দল থেকে অব্যহতি চান। একই বছরের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে অব্যহতি দেয় হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ এর আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁর নামে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি ওই বছরের ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন। জেল খেটে ৫ নম্ভেম্বর জামিনে বের হন। চলতি বছরের ২৩ জুন তার নামে আরো একটি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অথচ একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আসামী করাচ্ছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি আরো বরেন, আমি আরো কোন দলের রাজনীতি সাথে যুক্ত হব না। ইউনিয়নের জনগণ আমাকে ভালবাসে, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমি তাদের সুখ-দু:খের সাথী হয়ে থাকতে চাই।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চেয়ারম্যানের চেয়ারের দিকে যাদের নজর তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোক দিয়ে এসব মামলা করে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। এসমব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা!

গাজীপুরে অব্যহতির ৭ বছর, তবুও হাবিবুর রহমান কে আওয়ামী ট্যাগে মামলার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৪:২৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি |
গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয় ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই। এরপর থেকে দলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় আসামি করা হচ্ছে। যা এখনোও অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান তাঁর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা ও অভিযোগ বলেন।
তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগ, পর্যায়ক্রমে যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে দলের নেতাকর্মীদের সাথে তার মতবিরোধ দেখা দিলে স্বেচ্ছায় ২০১৯ সালের ২ মে দল থেকে অব্যহতি চান। একই বছরের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে অব্যহতি দেয় হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ এর আওয়ামী লীগের পতনের পর তাঁর নামে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি ওই বছরের ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন। জেল খেটে ৫ নম্ভেম্বর জামিনে বের হন। চলতি বছরের ২৩ জুন তার নামে আরো একটি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। অথচ একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আসামী করাচ্ছে বলে তার অভিযোগ।
তিনি আরো বরেন, আমি আরো কোন দলের রাজনীতি সাথে যুক্ত হব না। ইউনিয়নের জনগণ আমাকে ভালবাসে, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই আমাকে নির্বাচিত করেছে। আমি তাদের সুখ-দু:খের সাথী হয়ে থাকতে চাই।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চেয়ারম্যানের চেয়ারের দিকে যাদের নজর তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোক দিয়ে এসব মামলা করে থাকতে পারে বলে তার ধারণা। এসমব ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।


প্রিন্ট