ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে আহত নারী আইনজীবী, প্রশ্নের মুখে আদালতের শৃঙ্খলা স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে- মির্জা ফখরুল ইসলাম সিরাজদিখানে কৃষক কার্ড বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ও ৪’শ কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু সরবরাহে ৪ বাল্কহেড জাহাজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের নতুন সভাপতি মঞ্জুরুল করিম রনি আশ শিফা দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন স্টার অ্যাওয়ার্ড এ পুরস্কৃত হলেন খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি ড্রেন নেটওয়ার্কিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন পদ্ধতির বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালে বিপর্যস্ত নলছিটির জলাশয়, হুমকিতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব সিরাজদিখানে মাদকবিরোধী অভিযানে ২৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব শুরু: ‘খেলাধুলাই পারে জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে’- প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

ভুয়া সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে ৩ কথিত সাংবাদিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

  • বিশেষ সংবাদদাতা :
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. খায়রুল আলম রফিক-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। তদন্তে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেক হাসান তদন্ত শেষে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালত ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মো. খায়রুল আলম রফিক একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি ত্রিশালের সাবেক সংসদ সদস্য আনিছের প্রেস সেক্রেটারি না হওয়া সত্ত্বেও তাকে ওই পরিচয়ে উল্লেখ করে দৈনিক প্রলয় পত্রিকায় দুটি ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল— “নেপথ্যে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার মদদ, থামছেই না সাবেক এমপি আনিছের প্রেস সেক্রেটারি রফিকের অপকর্ম”। অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদটি ছিল সম্পূর্ণ মনগড়া, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এছাড়া ওই সংবাদের কাটিং এবং বাদীর সম্পাদিত (ফটো এডিট করা) ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। একই সঙ্গে বাদীর নাম ব্যবহার করে “ময়মনসিংহে রফিক-রেজাসহ এজাহারভুক্তদের গ্রেপ্তারে ডিআইজির বরাবরে আবেদন” শিরোনামে আরও একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়, যা তদন্তে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে তারা হলেন— দৈনিক প্রলয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোছা. রোজিনা আক্তার, প্রধান সম্পাদক মো. মির্জা সোবেদ আলী (রাজা), নির্বাহী সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান শিপন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী মো. খায়রুল আলম রফিক কখনও ত্রিশালের সাবেক সংসদ সদস্যের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন— এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ তদন্তে পায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হলেও অভিযুক্তরা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিকের সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর ভুয়া সংবাদ প্রকাশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও সাক্ষীদের বক্তব্য পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় বিচার চেয়ে ১৮ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে আহত নারী আইনজীবী, প্রশ্নের মুখে আদালতের শৃঙ্খলা

ভুয়া সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে ৩ কথিত সাংবাদিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. খায়রুল আলম রফিক-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। তদন্তে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারেক হাসান তদন্ত শেষে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালত ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মো. খায়রুল আলম রফিক একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি ত্রিশালের সাবেক সংসদ সদস্য আনিছের প্রেস সেক্রেটারি না হওয়া সত্ত্বেও তাকে ওই পরিচয়ে উল্লেখ করে দৈনিক প্রলয় পত্রিকায় দুটি ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল— “নেপথ্যে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার মদদ, থামছেই না সাবেক এমপি আনিছের প্রেস সেক্রেটারি রফিকের অপকর্ম”। অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদটি ছিল সম্পূর্ণ মনগড়া, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এছাড়া ওই সংবাদের কাটিং এবং বাদীর সম্পাদিত (ফটো এডিট করা) ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। একই সঙ্গে বাদীর নাম ব্যবহার করে “ময়মনসিংহে রফিক-রেজাসহ এজাহারভুক্তদের গ্রেপ্তারে ডিআইজির বরাবরে আবেদন” শিরোনামে আরও একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়, যা তদন্তে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে তারা হলেন— দৈনিক প্রলয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোছা. রোজিনা আক্তার, প্রধান সম্পাদক মো. মির্জা সোবেদ আলী (রাজা), নির্বাহী সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান শিপন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী মো. খায়রুল আলম রফিক কখনও ত্রিশালের সাবেক সংসদ সদস্যের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন— এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ তদন্তে পায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হলেও অভিযুক্তরা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিকের সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর ভুয়া সংবাদ প্রকাশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও সাক্ষীদের বক্তব্য পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় বিচার চেয়ে ১৮ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।


প্রিন্ট