ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন
জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা :

১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে, মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব!

  • রস্তম মল্লিক :
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৮৬৯ বার পড়া হয়েছে

১৭ বছর যাবত মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে কয়েক কোটি টাকা পকেটে তুলেছেন সভাপতি মীর আবু সাঈদ।
তার অবৈধ নিয়ন্ত্রণ থেকে সংগঠনটি উদ্ধারের জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসক ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ সুত্রের বর্ণনা মতে-
আমাদের সমিতিটি প্রায় ১৭ বছর বর্তমান সভাপতি মীর আবু সাইদ (সাইদ মীর) নানা কুটকৌশল প্রয়োগ করে (নামে মাত্র নির্বাচন করে) কুক্ষিগত করে রেখেছেন।
তিনি আমাদের কোন প্রশ্নের উত্তর দেন না। সংগঠনের আয়-ব্যয় হিসাব চাইলে তিনি মারমুখি আচরণ করেন এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করেন। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন ধার ধারেন না। তিনি সংগঠনের তহবীলের টাকায় কেনা জমি নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন। কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তিনি আমাদের গাড়ির ট্রিপ বন্ধ করে দেন।

এছাড়া সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা উপধারা লঙ্গন করে অসংখ্য তুয়া ভোটার তৈরী করেছেন। এসব ভোটারদের কোন গাড়ি নেই-নেই কোন গাড়ির মালিকানা। অথচ তারা সদস্য হিসাবে অন্তরভূক্ত রয়েছেন। তিনি মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিকগ্রুপের সভাপতি হিসাবে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কিন্তু মালিকগ্রুপের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দেয় নাই। তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে, মালিকগ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সম্মান দিয়ে কথাও বলেন না। তাদের সাথে প্রভুত্বের মত আচরণ করেন।
আমরা দীর্ঘ দিন ধরে তার কাছে সংগঠনের হিসাব চেয়ে আসছি। কিন্তু তিনি কোন হিসাব দেন না। স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে তার ইচ্ছা খুশি মত সংগঠন পরিচালনা করে আসছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের একজন সশস্ত্র ক্যাডার। বিগত দুই দশকে তার নামে একাধিক হত্যা সহ অসংখ্য মামলা দায়ের হয়। তার মধ্যে চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, অস্ত্র মামলাও রয়েছে। তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে আমরা কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাই নাই। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের ক্রসফায়ারের তালিকা ভুক্ত আসামী ছিলেন।

এমতাবস্থায়, সংগঠনটির মেয়াদ ১ বছর উত্তীর্ণ হয়ে বৈধতা হারিয়েছে। তাই সংগঠনটিকে রাহুমুক্ত করে একটি সুষ্ঠু ধারায় ফিরিয়ে আনা ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা একান্ত প্রয়োজন।
সে কারনে নিম্ন লিখিত সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা সমূহ আপনার সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রণীত হলো। ১.অনতিবিলম্বে প্রকৃত বাস মিনিবাস মালিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ, হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুতের নিমিত্তে এবং একটি সফল স্বচ্ছ অবাধ সুষ্ঠু এবং গনতন্ত্রিত্রিক পন্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য আপনার প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সভাপতি সাঈদ মীরের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে

জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা :

১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে, মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব!

আপডেট টাইম : ০৩:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

১৭ বছর যাবত মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে কয়েক কোটি টাকা পকেটে তুলেছেন সভাপতি মীর আবু সাঈদ।
তার অবৈধ নিয়ন্ত্রণ থেকে সংগঠনটি উদ্ধারের জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসক ও মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ সুত্রের বর্ণনা মতে-
আমাদের সমিতিটি প্রায় ১৭ বছর বর্তমান সভাপতি মীর আবু সাইদ (সাইদ মীর) নানা কুটকৌশল প্রয়োগ করে (নামে মাত্র নির্বাচন করে) কুক্ষিগত করে রেখেছেন।
তিনি আমাদের কোন প্রশ্নের উত্তর দেন না। সংগঠনের আয়-ব্যয় হিসাব চাইলে তিনি মারমুখি আচরণ করেন এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করেন। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন ধার ধারেন না। তিনি সংগঠনের তহবীলের টাকায় কেনা জমি নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন। কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তিনি আমাদের গাড়ির ট্রিপ বন্ধ করে দেন।

এছাড়া সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা উপধারা লঙ্গন করে অসংখ্য তুয়া ভোটার তৈরী করেছেন। এসব ভোটারদের কোন গাড়ি নেই-নেই কোন গাড়ির মালিকানা। অথচ তারা সদস্য হিসাবে অন্তরভূক্ত রয়েছেন। তিনি মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিকগ্রুপের সভাপতি হিসাবে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কিন্তু মালিকগ্রুপের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দেয় নাই। তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে, মালিকগ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সম্মান দিয়ে কথাও বলেন না। তাদের সাথে প্রভুত্বের মত আচরণ করেন।
আমরা দীর্ঘ দিন ধরে তার কাছে সংগঠনের হিসাব চেয়ে আসছি। কিন্তু তিনি কোন হিসাব দেন না। স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে তার ইচ্ছা খুশি মত সংগঠন পরিচালনা করে আসছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের একজন সশস্ত্র ক্যাডার। বিগত দুই দশকে তার নামে একাধিক হত্যা সহ অসংখ্য মামলা দায়ের হয়। তার মধ্যে চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, অস্ত্র মামলাও রয়েছে। তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে আমরা কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাই নাই। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের ক্রসফায়ারের তালিকা ভুক্ত আসামী ছিলেন।

এমতাবস্থায়, সংগঠনটির মেয়াদ ১ বছর উত্তীর্ণ হয়ে বৈধতা হারিয়েছে। তাই সংগঠনটিকে রাহুমুক্ত করে একটি সুষ্ঠু ধারায় ফিরিয়ে আনা ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা একান্ত প্রয়োজন।
সে কারনে নিম্ন লিখিত সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা সমূহ আপনার সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রণীত হলো। ১.অনতিবিলম্বে প্রকৃত বাস মিনিবাস মালিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ, হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুতের নিমিত্তে এবং একটি সফল স্বচ্ছ অবাধ সুষ্ঠু এবং গনতন্ত্রিত্রিক পন্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য আপনার প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সভাপতি সাঈদ মীরের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।


প্রিন্ট