ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরকিয়ার জেরে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ি কারাগারে মুদি দোকানের আড়ালে চলছিল অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপের ব্যবসা; পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮১ বোতল, আটক ১ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা রোটারী ক্লাব অব গাজীপুর সেন্ট্রাল এর নবম চার্টার্ড ডে অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাগুরায় পুলিশ সুপার কাপ সম্প্রীতির ফুটবল ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ২৪ লাখ টাকার কালভার্ট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, বিল পরিশোধের পরই ধসে পড়ল সংযোগ সড়ক পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধ: বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে হয়রানির অভিযোগ জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি আবু বকর, সম্পাদক শামীম কাদির সিরাজদিখানে কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় অবৈধ ভরাট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান

মাগুরা শালিখা উপজেলার কাটিগ্রামে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রয়ের মহোউৎসব

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের কাটিগ্রামে চলছে অবৈধভাবে মাটি কাটার মহোউৎসব, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অবৈধ ভাবে মাটি কেটে ট্রাক্টরে ও ইঞ্জিন চালিত লাটা গাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা ভরাট ও ইট ভাটাতে বিক্রয় করছে,স্থানীয় প্রভাব শালী মধুখালী গ্রামের শিহাব ও গঙ্গারামপুর গ্রামের তুরান।সরজমিনে সাংবাদিকরা আসলে স্থানীয় এলাকা বাসির অভিযোগ করেন মাটি কাটার কারনে রাস্তা ঘাটসহ এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।,

ধুলাবালির কারনে এলাকার ঘর বাড়ি আসবাপত্র,খাবার নষ্ট সহ দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এমনও অভিযোগ করেন গাড়ি চলার কারনে শিশু সহ বয়সবৃদ্ধ দের শষকষ্ট সহ নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্হানীয় কাটিগ্রাম এলাকা বাসি দৈনিক খবর বাংলাদেশকে বলেন,এইমাটি কাটার কারনে আমাদের বাড়িতে থাকা অসম্ভব হচ্ছে, খাবার খাইতে গেলে মনে হয় ধুলা বালি খাচ্ছি,এমনও মনে হয় পানি খেতে গেলে পানির পাত্রে ও পানিতে শুধু ধুলাবালু খাচ্ছি ।

এই রাস্তা দিয়ে অবৈধ গাড়ি চলায় আমাদের ছেলে মেয়ে তাদের স্কুল কলেজে,মাদ্রাসা যাওয়া নিরাপদ নয়, যে কোন সময় হতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা, বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে আমাদের ফসল আনতে নানান সমস্যা দেখা দেবে এবং মোটরসাইকেল সহ অন্যান্য গাড়ির চললে অ্যাক্সিডেন্টের প্রভাব পড়বে। মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে,মাটি ব্যবসায়ি শিহাব জানান আমাদের মাটি কাটতে কোন অনুমতি লাগে না, আর আমরা তো আমদের গ্রামের সন্তান ফরিদুজ্জামান ডিসি তার জায়গায় থেকে মাটি কেটে তার জায়গাতে ভরাট করতেছি এতে অনুমতি লাগবে কেন।

মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মোঃ বনি আমিন এর কাছে সাংবাদিকেরা মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মাটি কাটার কোন অনুমতি দেয়নি।এতে আপনাদের কি অসুবিধা এবং এলাকা বাসির কি অসুবিধা, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কিভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে এমন বক্তব্য গণমাধ্যম কে দিতে পারে। তাহলে কি মাটি খেকোদের কাছ থেকে মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে এই উপজেলা প্রশাসন দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাগুরা শালিখা উপজেলার কাটিগ্রামে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে বিক্রয়ের মহোউৎসব

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের কাটিগ্রামে চলছে অবৈধভাবে মাটি কাটার মহোউৎসব, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অবৈধ ভাবে মাটি কেটে ট্রাক্টরে ও ইঞ্জিন চালিত লাটা গাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা ভরাট ও ইট ভাটাতে বিক্রয় করছে,স্থানীয় প্রভাব শালী মধুখালী গ্রামের শিহাব ও গঙ্গারামপুর গ্রামের তুরান।সরজমিনে সাংবাদিকরা আসলে স্থানীয় এলাকা বাসির অভিযোগ করেন মাটি কাটার কারনে রাস্তা ঘাটসহ এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।,

ধুলাবালির কারনে এলাকার ঘর বাড়ি আসবাপত্র,খাবার নষ্ট সহ দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এমনও অভিযোগ করেন গাড়ি চলার কারনে শিশু সহ বয়সবৃদ্ধ দের শষকষ্ট সহ নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্হানীয় কাটিগ্রাম এলাকা বাসি দৈনিক খবর বাংলাদেশকে বলেন,এইমাটি কাটার কারনে আমাদের বাড়িতে থাকা অসম্ভব হচ্ছে, খাবার খাইতে গেলে মনে হয় ধুলা বালি খাচ্ছি,এমনও মনে হয় পানি খেতে গেলে পানির পাত্রে ও পানিতে শুধু ধুলাবালু খাচ্ছি ।

এই রাস্তা দিয়ে অবৈধ গাড়ি চলায় আমাদের ছেলে মেয়ে তাদের স্কুল কলেজে,মাদ্রাসা যাওয়া নিরাপদ নয়, যে কোন সময় হতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা, বৃষ্টি হলে এই রাস্তা দিয়ে আমাদের ফসল আনতে নানান সমস্যা দেখা দেবে এবং মোটরসাইকেল সহ অন্যান্য গাড়ির চললে অ্যাক্সিডেন্টের প্রভাব পড়বে। মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে,মাটি ব্যবসায়ি শিহাব জানান আমাদের মাটি কাটতে কোন অনুমতি লাগে না, আর আমরা তো আমদের গ্রামের সন্তান ফরিদুজ্জামান ডিসি তার জায়গায় থেকে মাটি কেটে তার জায়গাতে ভরাট করতেছি এতে অনুমতি লাগবে কেন।

মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মোঃ বনি আমিন এর কাছে সাংবাদিকেরা মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মাটি কাটার কোন অনুমতি দেয়নি।এতে আপনাদের কি অসুবিধা এবং এলাকা বাসির কি অসুবিধা, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কিভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে এমন বক্তব্য গণমাধ্যম কে দিতে পারে। তাহলে কি মাটি খেকোদের কাছ থেকে মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে এই উপজেলা প্রশাসন দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে


প্রিন্ট