ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে আহত নারী আইনজীবী, প্রশ্নের মুখে আদালতের শৃঙ্খলা স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে- মির্জা ফখরুল ইসলাম সিরাজদিখানে কৃষক কার্ড বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ও ৪’শ কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু সরবরাহে ৪ বাল্কহেড জাহাজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের নতুন সভাপতি মঞ্জুরুল করিম রনি আশ শিফা দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন স্টার অ্যাওয়ার্ড এ পুরস্কৃত হলেন খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি ড্রেন নেটওয়ার্কিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন পদ্ধতির বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালে বিপর্যস্ত নলছিটির জলাশয়, হুমকিতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব সিরাজদিখানে মাদকবিরোধী অভিযানে ২৭ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব শুরু: ‘খেলাধুলাই পারে জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে’- প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আশ শিফা দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন স্টার অ্যাওয়ার্ড এ পুরস্কৃত হলেন খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি

আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের স্টার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও খন্দকার গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি।

গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবন মিলনায়তনে আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে স্টার অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। তবে পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় পরবর্তীতে তাঁর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে গিয়ে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান অপূর্ব।

উল্লেখ্য,খন্দকার রুহুল আমিন, সিআইপি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন উন্নয়ন এবং শিল্পোদ্যোগর একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ব্যবসায়ী নেতা, সফল উদ্যোক্তা, সংগঠক, মিডিয়া বিশ্লেষক ও সমাজসেবক হিসেবে দেশ-বিদেশে তিনি ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন।
১৯৫৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুরের শাহবাদ গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা খন্দকার নাছির উদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং মাতা মরহুমা হালিমা বেগম ছিলেন ধর্মপ্রাণ ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন নারী।
শিক্ষাজীবনে তিনি শাহনুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ১৯৮০ সালে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় স্থান অর্জন করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
পরবর্তীতে পারিবারিক চা ব্যবসার দায়িত্ব গ্রহণ করে ‘খন্দকার টি কোম্পানি’-কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। এরপর ‘খন্দকার গ্রুপ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হোটেল, রেস্তোরাঁ, কনভেনশন সেন্টার, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স মার্কেটসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। বর্তমানে তিনি হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড এবং খন্দকার প্যালেস ইন্টারন্যাশনাল হোটেল লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান।এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে তিনি সাতবার নির্বাচিত হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন মেয়াদে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য, ভেজাল প্রতিরোধ, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।১৯৯১ সালে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পের আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্যবিধি, সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা।
ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, মিশর, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশ সফর করেছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।মিডিয়া বিশ্লেষক হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। বাজেট, ব্যবসা-বাণিজ্য, বাজারব্যবস্থা, ভোক্তা অধিকার ও অর্থনীতি বিষয়ক বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন।শিল্প, শিক্ষা, পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দেশ-বিদেশে বহু সম্মাননা ও পদক লাভ করেছেন। এর মধ্যে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পুরস্কার, অতীশ দীপঙ্কর পদক, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট পদক, মাওলানা ভাসানী পদক, শের-ই-বাংলা পদক এবং কবি গোবিন্দ দাস পদক উল্লেখযোগ্য।দীর্ঘ কয়েক দশকের কর্মজীবনে আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন (সিআইপি )নিজেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সমাজের একজন দূরদর্শী সংগঠক, সফল উদ্যোক্তা এবং শিল্পোন্নয়নের নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের স্টার অ্যাওয়ার্ড তাঁর দীর্ঘ কর্মময় জীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি এ্যাওয়ার্ড পেয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। সেই সাথে প্রয়াত দিয়ামনির কথা স্বরণ করে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের উত্তরোত্তর সফলতা এবং সমৃদ্ধি কামনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে আহত নারী আইনজীবী, প্রশ্নের মুখে আদালতের শৃঙ্খলা

আশ শিফা দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন স্টার অ্যাওয়ার্ড এ পুরস্কৃত হলেন খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি

আপডেট টাইম : ০২:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের স্টার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও খন্দকার গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি।

গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবন মিলনায়তনে আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের উদ্যোগে জমকালো আয়োজনে স্টার অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। তবে পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় পরবর্তীতে তাঁর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে গিয়ে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান অপূর্ব।

উল্লেখ্য,খন্দকার রুহুল আমিন, সিআইপি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন উন্নয়ন এবং শিল্পোদ্যোগর একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ব্যবসায়ী নেতা, সফল উদ্যোক্তা, সংগঠক, মিডিয়া বিশ্লেষক ও সমাজসেবক হিসেবে দেশ-বিদেশে তিনি ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন।
১৯৫৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার গালিমপুরের শাহবাদ গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা খন্দকার নাছির উদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং মাতা মরহুমা হালিমা বেগম ছিলেন ধর্মপ্রাণ ও মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন নারী।
শিক্ষাজীবনে তিনি শাহনুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ১৯৮০ সালে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় স্থান অর্জন করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
পরবর্তীতে পারিবারিক চা ব্যবসার দায়িত্ব গ্রহণ করে ‘খন্দকার টি কোম্পানি’-কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। এরপর ‘খন্দকার গ্রুপ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হোটেল, রেস্তোরাঁ, কনভেনশন সেন্টার, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স মার্কেটসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। বর্তমানে তিনি হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড এবং খন্দকার প্যালেস ইন্টারন্যাশনাল হোটেল লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান।এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসেবে তিনি সাতবার নির্বাচিত হয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন মেয়াদে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি খাদ্য নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য, ভেজাল প্রতিরোধ, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।১৯৯১ সালে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পের আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্যবিধি, সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা।
ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, মিশর, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশ সফর করেছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।মিডিয়া বিশ্লেষক হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। বাজেট, ব্যবসা-বাণিজ্য, বাজারব্যবস্থা, ভোক্তা অধিকার ও অর্থনীতি বিষয়ক বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন।শিল্প, শিক্ষা, পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দেশ-বিদেশে বহু সম্মাননা ও পদক লাভ করেছেন। এর মধ্যে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক পুরস্কার, অতীশ দীপঙ্কর পদক, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট পদক, মাওলানা ভাসানী পদক, শের-ই-বাংলা পদক এবং কবি গোবিন্দ দাস পদক উল্লেখযোগ্য।দীর্ঘ কয়েক দশকের কর্মজীবনে আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন (সিআইপি )নিজেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সমাজের একজন দূরদর্শী সংগঠক, সফল উদ্যোক্তা এবং শিল্পোন্নয়নের নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আশ শিফা দিয়ামনি-ই কমিউনিকেশনের স্টার অ্যাওয়ার্ড তাঁর দীর্ঘ কর্মময় জীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি এ্যাওয়ার্ড পেয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। সেই সাথে প্রয়াত দিয়ামনির কথা স্বরণ করে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও দিয়ামনি ই কমিউনিকশনের উত্তরোত্তর সফলতা এবং সমৃদ্ধি কামনা করেন।


প্রিন্ট