সাভার (ঢাকা): সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী না হয়েও ‘পেশকারের’ ভূমিকা পালন, নথিপত্র পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার এবং জমির মালিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে কবির নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিকের দাবি, সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের একটি অংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। এ ঘটনায় সরকারি দপ্তরের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কেতাদুরস্ত পোশাক ও কর্মকর্তাসুলভ আচরণের মাধ্যমে নিজেকে কার্যালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেন কবির। অথচ তিনি সরকারি চাকরিজীবী কিংবা কার্যালয়ের মাস্টাররোলভুক্ত কর্মচারী নন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তা সত্ত্বেও তিনি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্টের বড় বরদেশী আদালতে পেশকারের মতো দায়িত্ব পালন করেন বলে তাঁদের অভিযোগ।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালতের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত কবির নথিপত্র পরিচালনা, মামলার শুনানি-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেন। জমির নথি সংশোধন ও মামলার কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা বলে অর্থ লেনদেনের বিষয়েও তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীদের দাবি, আলমনগর হাউজিং এলাকায় কবিরের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয় রয়েছে। সেখানে জমিসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান, নথি সংশোধন কিংবা মামলার কাজ এগিয়ে দেওয়ার কথা বলে জমির মালিকদের ডেকে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সেখানে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে দরকষাকষি এবং অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটে।
তাঁদের আরও অভিযোগ, জমির মালিকদের আইনি জটিলতার কথা বলে চাপের মুখে ফেলা হয়। পরে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও করেছেন তাঁরা। তবে সাভার উপজেলা সেটেলমেন্টের বরদেশী আদালতের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
প্রিন্ট
মঞ্জরুল ইসলাম রতন : 























