ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাগুরায় দীর্ঘ ১৪ বছর জাল সনদপত্র ও বয়স কমিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে সরকারি চাকরির অভিযোগ মির্জাগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে যুক্ত হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ বই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দুর্গাপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার শারীরিক অসুস্থার জন্য বৃহস্পতিবার অফিসে আসতে পারেননি আ.লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে জামায়াতের আমির মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে: রাশেদ খান মাগুরাতে ২৮ হাজার ইয়াবা ও ১৯ লক্ষ টাকা সহ এসআরবির হাতে গ্রেফতার এক যশোরে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে লাইফ কেয়ার হাসপাতাল, রোগী ভাগিয়ে বাণিজ্য মা ইলিশ রক্ষায় আজ থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য: মোহনা টিভি দখল ও সরকারবিরোধী বড় চক্রান্তের তথ্য ফাঁস! সিন্ডিকেট ভাঙতে লটারির মাধ্যমে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ১৮ কর্মকর্তা

পঞ্চগড়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানান কর্মসূচি

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি-
আজ ২৯ নভেম্বর, পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিকামী বাঙালির সাহসিক লড়াইয়ের মাধ্যমে পঞ্চগড় শহর পাক হানাদারমুক্ত হয়েছিল। এ উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জেলা প্রশাসক সাবেত আলী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন। পরে শহীদদের স্মরণে মুনাজাত করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর একটি র‌্যালি জেলা পরিষদের সামনে অবস্থিত বধ্যভূমিতে গিয়ে আরও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসজুড়ে মুক্তিবাহিনীর দুঃসাহসী অভিযান ও মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় পাকবাহিনীর প্রতিরোধ ভেঙে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর ডিফেন্সে হামলা শুরু করে পহেলা নভেম্বর । পঞ্চগড় অমরখানা মুক্ত হয় ২০ নভেম্বর, জগদলহাট মুক্ত হয় ২৫ নভেম্বর, পঞ্চগড় শিংপাড়া মুক্ত হয় ২৬ নভেম্বর, পূর্ব তালমাসহ আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর এলাকায় পাকবাহিনীকে পরাজিত করা হয় ২৭ নভেম্বর।
২৮ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে পাকবাহিনীর ওপর তীব্র আক্রমণ চালান। ট্যাংক ও পদাতিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে পাক সেনারা শহরের পূর্বদিকের ডিফেন্স ভেঙে পিছু হটতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যেই পাক হানাদার বাহিনী টুনিরহাট হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পালিয়ে যায়। ভোরের আলো ফোটার আগেই পঞ্চগড় হানাদারমুক্ত হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দীর্ঘ ১৪ বছর জাল সনদপত্র ও বয়স কমিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে সরকারি চাকরির অভিযোগ

পঞ্চগড়ে পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানান কর্মসূচি

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি-
আজ ২৯ নভেম্বর, পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিকামী বাঙালির সাহসিক লড়াইয়ের মাধ্যমে পঞ্চগড় শহর পাক হানাদারমুক্ত হয়েছিল। এ উপলক্ষে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জেলা প্রশাসক সাবেত আলী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন। পরে শহীদদের স্মরণে মুনাজাত করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর একটি র‌্যালি জেলা পরিষদের সামনে অবস্থিত বধ্যভূমিতে গিয়ে আরও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসজুড়ে মুক্তিবাহিনীর দুঃসাহসী অভিযান ও মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় পাকবাহিনীর প্রতিরোধ ভেঙে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর ডিফেন্সে হামলা শুরু করে পহেলা নভেম্বর । পঞ্চগড় অমরখানা মুক্ত হয় ২০ নভেম্বর, জগদলহাট মুক্ত হয় ২৫ নভেম্বর, পঞ্চগড় শিংপাড়া মুক্ত হয় ২৬ নভেম্বর, পূর্ব তালমাসহ আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর এলাকায় পাকবাহিনীকে পরাজিত করা হয় ২৭ নভেম্বর।
২৮ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে পাকবাহিনীর ওপর তীব্র আক্রমণ চালান। ট্যাংক ও পদাতিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে পাক সেনারা শহরের পূর্বদিকের ডিফেন্স ভেঙে পিছু হটতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যেই পাক হানাদার বাহিনী টুনিরহাট হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পালিয়ে যায়। ভোরের আলো ফোটার আগেই পঞ্চগড় হানাদারমুক্ত হয়।


প্রিন্ট