ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর
জনপ্রশাসনে এখনো আওয়ামী লীগের অবিশ্বাস্য দাপট:

শেখ মুজিবের ম্যুরাল তৈরি প্রকল্প বাস্তাবায়নকারী কর্মকতা তোফাজ্জল হোসেন পেলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব!

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের-এলডিডিপি প্রকল্পের টাকায় বংগবন্ধু সেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল তৈয়ারীর প্রস্তাব কারী ও বাস্তবায়নকারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বর্তমান অতিরিক্ত সচিব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (পরিকল্পনা শাখা) মো: তোফাজ্জল হোসেনকে (পরিচিতি নং-৬৩০৫) ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়েরর উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার।

গত বছরের ডিসেম্বরে তৎকালীন সচিব বেলাল হায়দারকে বাঁধ্যতামুলক অবসরে পাঠায় সরকার। তার পর হতে সচিবালয়ের আওয়ামীপন্থী কর্মকতা হিসাবে সর্বাধিক পরিচিত মো: তোফাজ্জল হোসেনকে মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা।এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর কোন সম্মতিও নেয়া হয়নি ।

উল্লেখ্য যে, অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন দীর্ঘ ৪ বসরের ও অধিক সময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত আছেন। এসময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল প্রকল্পের দেখাশুনার দায়িত্ব তিনি পালন করেন। তিনি সব সময় দুর্নীতির পক্ষে কাজ করেছেন। যার ফলে তার সময়ে কোন অনিয়ম/ দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নেয়া হয়নি । সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদন থাকার পরেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেননি। সুত্রমতে, এখনও অনেক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ / তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা শাখায় পড়ে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ও অধিদপ্তরের একাধিক সিনিয়র কর্মকতা এ প্রতিবেদককে জানান,৫ আগষ্ট এর পর তিনি কোন কিছু পজেটিভলি দেখছেন না।
এ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো: ইমাম উদ্দীন কবীর অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজজেল হোসেন এর থেকে অনেক সিনিয়র। তার গ্রেডেশন (৫৭৬৫) আর মো: তোফাজ্জল হোসেনের গ্রেডেশন (৬৩০৫)। ইমাম উদ্দীন কবীরের ক্রমিক নং- ১১৫ আর মো: তোফাজজেল হোসেনের ক্রমিক ২১৮ হলেও অজ্ঞাত কারণে আওয়ামীপন্থী এই কর্মকর্তাকে জ্যৈষ্ঠতা লংঘণ করে সচিবের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা অবিলম্বে সরকারী টাকায় বংগবন্ধুর ম্যুরাল তৈরীর প্রস্তাবকারী ও বাস্তবায়নকারী অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন কে ওএসডি করে তার সকল অপকর্মের তদন্ত করার দাবী করেছেন। এ বিষয়ে জানতে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার মোবাইলে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করে নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

জনপ্রশাসনে এখনো আওয়ামী লীগের অবিশ্বাস্য দাপট:

শেখ মুজিবের ম্যুরাল তৈরি প্রকল্প বাস্তাবায়নকারী কর্মকতা তোফাজ্জল হোসেন পেলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব!

আপডেট টাইম : ০৯:২০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের-এলডিডিপি প্রকল্পের টাকায় বংগবন্ধু সেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল তৈয়ারীর প্রস্তাব কারী ও বাস্তবায়নকারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বর্তমান অতিরিক্ত সচিব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (পরিকল্পনা শাখা) মো: তোফাজ্জল হোসেনকে (পরিচিতি নং-৬৩০৫) ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়েরর উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার।

গত বছরের ডিসেম্বরে তৎকালীন সচিব বেলাল হায়দারকে বাঁধ্যতামুলক অবসরে পাঠায় সরকার। তার পর হতে সচিবালয়ের আওয়ামীপন্থী কর্মকতা হিসাবে সর্বাধিক পরিচিত মো: তোফাজ্জল হোসেনকে মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা।এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর কোন সম্মতিও নেয়া হয়নি ।

উল্লেখ্য যে, অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন দীর্ঘ ৪ বসরের ও অধিক সময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কর্মরত আছেন। এসময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল প্রকল্পের দেখাশুনার দায়িত্ব তিনি পালন করেন। তিনি সব সময় দুর্নীতির পক্ষে কাজ করেছেন। যার ফলে তার সময়ে কোন অনিয়ম/ দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নেয়া হয়নি । সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদন থাকার পরেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেননি। সুত্রমতে, এখনও অনেক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ / তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা শাখায় পড়ে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ও অধিদপ্তরের একাধিক সিনিয়র কর্মকতা এ প্রতিবেদককে জানান,৫ আগষ্ট এর পর তিনি কোন কিছু পজেটিভলি দেখছেন না।
এ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো: ইমাম উদ্দীন কবীর অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজজেল হোসেন এর থেকে অনেক সিনিয়র। তার গ্রেডেশন (৫৭৬৫) আর মো: তোফাজ্জল হোসেনের গ্রেডেশন (৬৩০৫)। ইমাম উদ্দীন কবীরের ক্রমিক নং- ১১৫ আর মো: তোফাজজেল হোসেনের ক্রমিক ২১৮ হলেও অজ্ঞাত কারণে আওয়ামীপন্থী এই কর্মকর্তাকে জ্যৈষ্ঠতা লংঘণ করে সচিবের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা অবিলম্বে সরকারী টাকায় বংগবন্ধুর ম্যুরাল তৈরীর প্রস্তাবকারী ও বাস্তবায়নকারী অতিরিক্ত সচিব মো: তোফাজ্জল হোসেন কে ওএসডি করে তার সকল অপকর্মের তদন্ত করার দাবী করেছেন। এ বিষয়ে জানতে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টার মোবাইলে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করে নি।


প্রিন্ট