ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ মন্ত্রীর সংস্কার রুঁখতে আওয়ামী-জামায়াত সিন্ডিকেটের বহুমুখি চক্রান্ত! গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়নে ১২০ কোটি টাকা বাণিজ্যে পঞ্চগড়ে সংরক্ষণব্যবস্থা থাকতেও ২৬ বছরের শিক্ষার্থীদের সনদ-নথি প্রধান শিক্ষকের বাসায়! জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় দারুল মাজিদ মাহমুদিয়া মাদ্রাসার তিন শিক্ষার্থীর সাফল্য বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন-গ্রাউসের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার বির্তরকিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রোমান হাওলাদার গাজীপুরের টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন পাঁচবিবিতে অটোচালককে গলা কেটে হত্যা, অটো উধাও

হোটেল হানিফ” শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান….ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

  • সুমন খান :
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৫১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি—রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন—প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?
এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত ,হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী।এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ—যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ

হোটেল হানিফ” শ্যামলীর কলঙ্ক! মালিক জামান….ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে নারী ও মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য!

আপডেট টাইম : ১২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর আদাবর থানার অন্তর্গত শ্যামলী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে একাধিক অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। অভিযোগ রয়েছে, “হোটেল হানিফ” নামের একটি আবাসিক হোটেল বহুদিন ধরেই নারী ও মাদক ব্যবসার আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি—রাতের অন্ধকারে এখানে চলে অনৈতিক কার্যকলাপ, আর দিনের আলোতেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির মালিক জামান ও ম্যানেজার আমিনুলের নেতৃত্বে চলছে এ অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা, রুম ভাড়া নেওয়ার নামে অনৈতিক সম্পর্ক, এমনকি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
আরও জানা গেছে, কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চলছে নির্ভয়ে। আশপাশের দোকানদার ও ভুক্তভোগীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন—প্রতিদিন এখানে এমন কিছু হচ্ছে যা সবাই জানে, কিন্তু মুখ খুলতে ভয় পাই। পুলিশ আসে, যায়, কিন্তু সব কিছু আগের মতোই থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই হোটেল ঘিরে কিশোর অপরাধ, ছিনতাই ও মাদকাসক্তির প্রবণতা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—“প্রশাসন কি দেখেও না দেখার ভান করছে?
এ বিষয়ে আদাবর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।সচেতন নাগরিক সমাজের মন্তব
রাজধানীর মতো আবাসিক এলাকায় এমন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেওয়া প্রশাসনের ব্যর্থতা ও আইন প্রয়োগে শৈথিল্যের জ্বলন্ত উদাহরণ। তারা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত ,হোটেল হানিফ”-এর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবী।এমন অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু নৈতিক অবক্ষয়ই নয়, তরুণ প্রজন্মকেও বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই প্রয়োজন প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপ—যাতে কেউই আইনকে উপহাস করার সাহস না পায়, আর রাজধানী ঢাকাকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। এই হোটেলে তথ্য সংগ্রহ কালে সাংবাদিকরা গেলে বলে ভাই আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে আমরা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে আপনারা নাকি এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ হয় তারা বলেন আপনি যা পারেন করেন কি করবেন আমাদের জানা আছে এখানে অসামাজিক কার্যকলাপ কেন এখানে মাদকসহ, করে আমরা অপকর্ম করেই যাব। যদি পারলে ঠেকান দেখি আপনাদের কত বড় সাহস এমনটাই সাংবাদিকের হুমকি দেন খারাপ ভাষায় ব্যবহার করেন, মাদক ও সামাজিক মূল হোতা ম্যানেজার আমিনুল।


প্রিন্ট