ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরকিয়ার জেরে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ি কারাগারে মুদি দোকানের আড়ালে চলছিল অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপের ব্যবসা; পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮১ বোতল, আটক ১ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা রোটারী ক্লাব অব গাজীপুর সেন্ট্রাল এর নবম চার্টার্ড ডে অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাগুরায় পুলিশ সুপার কাপ সম্প্রীতির ফুটবল ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ২৪ লাখ টাকার কালভার্ট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, বিল পরিশোধের পরই ধসে পড়ল সংযোগ সড়ক পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধ: বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে হয়রানির অভিযোগ জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি আবু বকর, সম্পাদক শামীম কাদির সিরাজদিখানে কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় অবৈধ ভরাট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান

তিনি কখনো টিভি উপস্থাপক, কখনো আইনজীবি,কখনো.!

বাংলাদেশ এখন ভদ্রবেশী প্রতারকদের দেশ। এই দেশটিতে খুব সহজেই সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো যায়। হাতিয়ে নেওয়া যায় ধন-সম্পদ,ইজ্জত,মান-সম্মান। আবার পোষাকী ছদ্মাবরণে ধোকা দেওয়া যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন কি আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও।এখন আদালত পাড়া বা বিচারালয়েও প্রতারকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।
এই সব প্রতারকরা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা,জমা-জমি এমন কি বাড়ী-গাড়ি পর্যন্ত। এরা ঝোঁক বুঝে কোপ মেরে থাকে। তারা স্থানাভেদে পরিচয় বদলীয়ে প্রতারণা করে থাকে।
কখনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা,কখনো দুদক কর্মকর্তা,কখনো আইনজীবি,কখনো সাংবাদিক,কখনো বেসরকারী কোম্পানীর মালিক,কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা,কখনো মন্ত্রীর এপিএস,কখনো সচিবের আত্মীয় ইত্যাদি পরিচয়ে এরা সর্বত্র বিরাজ করছে। এদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নি:স-রিক্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ।
জনগণের সচেতনতা ও আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে মাঝে মধ্যে ২/৪ ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে অধরা। তবে কি এদের হাত থেকে মুক্তির উপায় নেই? এই প্রশ্নটির উত্তর মেলা অতি আবশ্যিক হলেও সেটি থেকে যাচ্ছে অবহেলা আর উদাসীনতায়।

ছবির এই ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ (৪৪), পিতা- মো. বদিউজ্জামান, মাতা- মোছা. আফুজা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা: ১৪৯, ডা. হিরন মার্কেট, আশকোনা, হাজী ক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা- ১২৩০। তিনি কিছুদিন আগেও মোহনা টিভিতে চাকুরী করতেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘটিয়েছেন নানা কেচ্ছা কেলেংকারী। আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতিও করেছেন। ফলে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে চাকুরীচ্যুত করে স্বসম্মানে বিদায় দিয়েছেন।
এরপর থেকে তিনি আয়কর আইনজীবি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এই পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করছেন মক্কেল ধরার জন্য। এ দিকে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অবৈধ মেলামেশা ও অর্থ কড়িও হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা দাগে। এখন ও নারীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ওই নারী মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।
জানাগেছে, মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিবাহিত । শ^শুর বাড়ীতে নাকি ঘর জামাই থাকেন। তার শ^শুর বাড়ীর লোকেজন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। যে কারণে তার ২ শ্যালক এখন পলাতক। এই ঘর জামাই ভদ্রলোক মোহনা টিভিতে চাকুরীর সুবাদে প্রতারণা পেশাকে বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। শিঘ্রয় তার “অপকর্মনামা” বিশ^বাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

তিনি কখনো টিভি উপস্থাপক, কখনো আইনজীবি,কখনো.!

আপডেট টাইম : ০২:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশ এখন ভদ্রবেশী প্রতারকদের দেশ। এই দেশটিতে খুব সহজেই সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো যায়। হাতিয়ে নেওয়া যায় ধন-সম্পদ,ইজ্জত,মান-সম্মান। আবার পোষাকী ছদ্মাবরণে ধোকা দেওয়া যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন কি আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও।এখন আদালত পাড়া বা বিচারালয়েও প্রতারকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।
এই সব প্রতারকরা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা,জমা-জমি এমন কি বাড়ী-গাড়ি পর্যন্ত। এরা ঝোঁক বুঝে কোপ মেরে থাকে। তারা স্থানাভেদে পরিচয় বদলীয়ে প্রতারণা করে থাকে।
কখনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা,কখনো দুদক কর্মকর্তা,কখনো আইনজীবি,কখনো সাংবাদিক,কখনো বেসরকারী কোম্পানীর মালিক,কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা,কখনো মন্ত্রীর এপিএস,কখনো সচিবের আত্মীয় ইত্যাদি পরিচয়ে এরা সর্বত্র বিরাজ করছে। এদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নি:স-রিক্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ।
জনগণের সচেতনতা ও আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে মাঝে মধ্যে ২/৪ ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে অধরা। তবে কি এদের হাত থেকে মুক্তির উপায় নেই? এই প্রশ্নটির উত্তর মেলা অতি আবশ্যিক হলেও সেটি থেকে যাচ্ছে অবহেলা আর উদাসীনতায়।

ছবির এই ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ (৪৪), পিতা- মো. বদিউজ্জামান, মাতা- মোছা. আফুজা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা: ১৪৯, ডা. হিরন মার্কেট, আশকোনা, হাজী ক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা- ১২৩০। তিনি কিছুদিন আগেও মোহনা টিভিতে চাকুরী করতেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘটিয়েছেন নানা কেচ্ছা কেলেংকারী। আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতিও করেছেন। ফলে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে চাকুরীচ্যুত করে স্বসম্মানে বিদায় দিয়েছেন।
এরপর থেকে তিনি আয়কর আইনজীবি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এই পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করছেন মক্কেল ধরার জন্য। এ দিকে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অবৈধ মেলামেশা ও অর্থ কড়িও হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা দাগে। এখন ও নারীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ওই নারী মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।
জানাগেছে, মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিবাহিত । শ^শুর বাড়ীতে নাকি ঘর জামাই থাকেন। তার শ^শুর বাড়ীর লোকেজন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। যে কারণে তার ২ শ্যালক এখন পলাতক। এই ঘর জামাই ভদ্রলোক মোহনা টিভিতে চাকুরীর সুবাদে প্রতারণা পেশাকে বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। শিঘ্রয় তার “অপকর্মনামা” বিশ^বাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।


প্রিন্ট