ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর শ্যামলীতে রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে রমরমা মাদক ও দেহব্যবসা! ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেল লাইন নির্মাণ কাজ বন্ধের পাঁয়তারা! মির্জাগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নজরুল সভাপতি, আব্দুর রব সেক্রেটারি পাবনায় ধর্ষক জহুরুলের শাস্তি ও ওসি তারিকুলের অপসারণের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা! চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের! গাজীপুরে সিটি কর্পোরেশন উদ্দোগে পরিবেশবান্ধব মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ শুরু রাজাপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ, গোডাউন মালিককে জরিমানা নলছিটিতে পৃথক অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৪ গাজীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় মারধর: যুবদল নেতা বহিষ্কার

রাজধানীর শ্যামলীতে রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে রমরমা মাদক ও দেহব্যবসা!

  • স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শ্যামলী এলাকায় থেমে নেই মাদক ও রমরমা দেহব্যবসা। আর এই রমরমা ব্যবসাটি চলছে তেজগাঁর আদাবর থানাধীন এলাকায় শ্যামলী ক্লাবের সামনে অবস্থিত হোটেল রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে। হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলে আসছে অনৈতিক দেহ ব্যবসা ও মাদক বানিজ্য। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ৬ টার সময় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হোটেলের মালিক, ম্যানেজার ও কর্মচারিরা মিলে ৮ জন সাংবাদিককে মারধর করেন। এবং তাদের ক্যামেরা ও মোবাইল সেট কেড়ে রাখেন। পরে আদবর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করেন এবং হোটেল মালিক নিরবকে গ্রেফতার করেন। এপর্যন্ত কোন খোয়া যাওয়া কোন কিছু উদ্ধার হয়নি। এতে সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা হোটেলটিতে প্রবেশ করতে চাইলে তাদের বাধা দেয় সেখানকার কর্মকর্তারা। এরপর শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। ছাত্রদের ভাষ্যমতে, এক পর্যায়ে হোটেলের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এতে গুরুতর আহত হন তিনজন ছাত্র। ঘটনার পর পুলিশকে জানালেও তারা সহায়তা করেনি বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
এক পর্যায়ে আদাবর থানার সামনে জড়ো হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবি করে শিক্ষার্থীরা। পরে, এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।
এই আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা ও মাদক পরিচালনা করেন নিরব, রাজ্জাক, ম্যানেজার কামাল, জিসান, সুজন, নরুল, জাকির, বাবু, তৌশিক, মান্না, রকি, আপেল, জয় ও মোমিন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে হোলের এক আংশের মালিক নিরব শিকার করেন।
সরজমিনে জানা যায়, আদাবর থানার প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিরব ও রাজ্জাকের নেতৃত্বে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর শ্যামলীতে রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে রমরমা মাদক ও দেহব্যবসা!

রাজধানীর শ্যামলীতে রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে রমরমা মাদক ও দেহব্যবসা!

আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর শ্যামলী এলাকায় থেমে নেই মাদক ও রমরমা দেহব্যবসা। আর এই রমরমা ব্যবসাটি চলছে তেজগাঁর আদাবর থানাধীন এলাকায় শ্যামলী ক্লাবের সামনে অবস্থিত হোটেল রাজ্জাক ইন আবাসিক হোটেলে। হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলে আসছে অনৈতিক দেহ ব্যবসা ও মাদক বানিজ্য। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ৬ টার সময় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হোটেলের মালিক, ম্যানেজার ও কর্মচারিরা মিলে ৮ জন সাংবাদিককে মারধর করেন। এবং তাদের ক্যামেরা ও মোবাইল সেট কেড়ে রাখেন। পরে আদবর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করেন এবং হোটেল মালিক নিরবকে গ্রেফতার করেন। এপর্যন্ত কোন খোয়া যাওয়া কোন কিছু উদ্ধার হয়নি। এতে সাংবাদিক মহল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা হোটেলটিতে প্রবেশ করতে চাইলে তাদের বাধা দেয় সেখানকার কর্মকর্তারা। এরপর শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। ছাত্রদের ভাষ্যমতে, এক পর্যায়ে হোটেলের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এতে গুরুতর আহত হন তিনজন ছাত্র। ঘটনার পর পুলিশকে জানালেও তারা সহায়তা করেনি বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
এক পর্যায়ে আদাবর থানার সামনে জড়ো হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবি করে শিক্ষার্থীরা। পরে, এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।
এই আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা ও মাদক পরিচালনা করেন নিরব, রাজ্জাক, ম্যানেজার কামাল, জিসান, সুজন, নরুল, জাকির, বাবু, তৌশিক, মান্না, রকি, আপেল, জয় ও মোমিন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে হোলের এক আংশের মালিক নিরব শিকার করেন।
সরজমিনে জানা যায়, আদাবর থানার প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিরব ও রাজ্জাকের নেতৃত্বে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন।


প্রিন্ট