ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে বহিরাগত ব্যক্তির প্রভাবের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শালিখায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহশালা ও পাঠাগার এর শুভ উদ্বোধন বান্দরবানে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের নানা আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ গাজীপুরের শ্রীপুরে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল মসজিদসহ একাধিক স্থাপনা বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ বান্দরবানের সুয়ালক চেক স্টেশনে টিপি পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘীসহ সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবি শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা!

  • স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট টাইম : ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ারের নবম তলায় অবস্থিত রয়েছে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেল। দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ। সরেজমিনে দেখা যায়, আবাসিক হোটেলের নামেই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। এসব কর্মকান্ড পুলিশের সামনেই চলছে। ওই আবাসিক হোটেলে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। বেশি অর্থ উপার্জনের লোভেই হোটেল মালিক মারুফ এই জঘন্য কাজে লিপ্ত রয়েছে।
মালিক মারুফের আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে মাদক ও নারীর দেহ ব্যবসা। একবাক্যে হোটেল টিকে বলা যায় মিনি পতিতালয়। হোটেল মারুফ হুঙ্কার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত করতে হচ্ছে সাংবাদিকরা কিছুই করতে পারবে না। সুত্রে জানা যায়, মাদক ও দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকের উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ মারুফের পতিতালয় হোটেল। আরও রয়েছে নামধারী সাংবাদিক, স্থানীয় নেতা ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের।
মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ার অর্থাৎ এ্যাপেক্স এর শোরুমের উপরে ৯ম তলার পুরা ফ্লোর জুড়ে রয়েছে অসংখক রুম আর প্রতিটি রুমে বিভিন্ন সাজে মেয়েরা খদ্দেরের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে দুই শিফটে মেয়েরা দেহ ব্যাবসা করছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খরিদদার আসছে। পতিতা-দের নিয়ে রাত্রি যাপনের জন্যেও রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসীদের। যার ফলে এই বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী জানান, এই হোটেলে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফাদফার মত কাজও চলে।
নিয়মানুযাী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কতৃপক্ষ মানছে না এই নিয়ম।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা!

আপডেট টাইম : ০২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ারের নবম তলায় অবস্থিত রয়েছে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেল। দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ। সরেজমিনে দেখা যায়, আবাসিক হোটেলের নামেই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। এসব কর্মকান্ড পুলিশের সামনেই চলছে। ওই আবাসিক হোটেলে একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে হলেও গুনতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। বেশি অর্থ উপার্জনের লোভেই হোটেল মালিক মারুফ এই জঘন্য কাজে লিপ্ত রয়েছে।
মালিক মারুফের আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে মাদক ও নারীর দেহ ব্যবসা। একবাক্যে হোটেল টিকে বলা যায় মিনি পতিতালয়। হোটেল মারুফ হুঙ্কার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত করতে হচ্ছে সাংবাদিকরা কিছুই করতে পারবে না। সুত্রে জানা যায়, মাদক ও দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকের উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ মারুফের পতিতালয় হোটেল। আরও রয়েছে নামধারী সাংবাদিক, স্থানীয় নেতা ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের।
মিরপুর-১ নম্বর শাহআলী থানাধিন রবিউল টাওয়ার অর্থাৎ এ্যাপেক্স এর শোরুমের উপরে ৯ম তলার পুরা ফ্লোর জুড়ে রয়েছে অসংখক রুম আর প্রতিটি রুমে বিভিন্ন সাজে মেয়েরা খদ্দেরের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে দুই শিফটে মেয়েরা দেহ ব্যাবসা করছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খরিদদার আসছে। পতিতা-দের নিয়ে রাত্রি যাপনের জন্যেও রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসীদের। যার ফলে এই বিষয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী জানান, এই হোটেলে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফাদফার মত কাজও চলে।
নিয়মানুযাী হোটেলে যে কোনো বর্ডারের আগমন হলে তাদের সঠিক ঠিকানা যাচাই করে তাদের রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা ও ছবি তুলে রাখার কথা থাকলেও অভিযুক্ত হোটেল কতৃপক্ষ মানছে না এই নিয়ম।


প্রিন্ট