আদাবর-মোহাম্মদপুর সাংগঠনিক নেতৃত্বে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট নেতা। তাঁর দাবি, প্রায় চার বছর মিরপুর অঞ্চলে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকালে মিরপুর, শাহ আলী, দারুস সালাম ও কাফরুল—এই চারটি থানার ১২টি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক কমিটির কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন তিনি।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে কর্মীসভা ও সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে সাংগঠনিক কমিটি পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন করেন এবং নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন।
বর্তমানে আদাবর, মোহাম্মদপুর ও শেরে বাংলা নগর থানা বিএনপির সাংগঠনিক টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, তিনটি থানা ও সংশ্লিষ্ট ১০টি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সক্রিয় ও সুসংগঠিত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।
শুধু সাংগঠনিক দায়িত্বই নয়, নির্বাচনী রাজনীতিতেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সাহেবের নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ এবং নির্বাচনী সমন্বয়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
মিরপুরের চার থানা ও ১২ ওয়ার্ড থেকে শুরু করে বর্তমানে আদাবর, মোহাম্মদপুর ও শেরে বাংলা নগরের সাংগঠনিক পরিসর—দীর্ঘ এই পথচলায় কর্মীসভা, সম্মেলন, কমিটি পুনর্গঠন ও নির্বাচনী সমন্বয়ের অভিজ্ঞতাকে নিজের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন তিনি।
প্রিন্ট
বিশেষ প্রতিনিধি : 















