ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন

পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকা জুড়ে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানী দীর্ঘদিন ধরে প্রমোট ফাউন্ডেশনের নামে বিভিন্ন লোভনীয় অফার ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিশাল অংকের অর্থ সংগ্রহ করেন। সহজ-সরল মানুষ এবং অনেক অভিভাবক তার শিক্ষকতা ও সামাজিক পরিচয়ের ওপর বিশ্বাস রেখে এই টাকা তুলে দেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও গ্রাহকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা বা জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমানো টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। এর ফলে বহু পরিবার এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “তিনি ধর্মীয় পোশাক ও মাদ্রাসা সুপারের পদের আড়ালে আমাদের কাছে বড় বড় প্রতিশ্রুতির জাল বুনেছিলেন। আমরা তার শিক্ষক পরিচয় দেখে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, প্রমোট ফাউন্ডেশনের নামে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি/ মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এবং সংবাদ কর্মীদেরকে হুমকি প্রদান করেন। এদিকে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্ত সুপার গোলাম রাব্বানীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হাতিয়ে নেওয়া টাকা দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এই বিষয় নিয়ে জেলাস শিক্ষা অফিসারের ভিডিও বক্তব্য নিয়ে আসছে আমাদের পরবর্তী পর্বে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে

পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ০২:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকা জুড়ে এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানী দীর্ঘদিন ধরে প্রমোট ফাউন্ডেশনের নামে বিভিন্ন লোভনীয় অফার ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিশাল অংকের অর্থ সংগ্রহ করেন। সহজ-সরল মানুষ এবং অনেক অভিভাবক তার শিক্ষকতা ও সামাজিক পরিচয়ের ওপর বিশ্বাস রেখে এই টাকা তুলে দেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও গ্রাহকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা বা জমানো টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমানো টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। এর ফলে বহু পরিবার এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, “তিনি ধর্মীয় পোশাক ও মাদ্রাসা সুপারের পদের আড়ালে আমাদের কাছে বড় বড় প্রতিশ্রুতির জাল বুনেছিলেন। আমরা তার শিক্ষক পরিচয় দেখে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, প্রমোট ফাউন্ডেশনের নামে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি/ মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এবং সংবাদ কর্মীদেরকে হুমকি প্রদান করেন। এদিকে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্ত সুপার গোলাম রাব্বানীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হাতিয়ে নেওয়া টাকা দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এই বিষয় নিয়ে জেলাস শিক্ষা অফিসারের ভিডিও বক্তব্য নিয়ে আসছে আমাদের পরবর্তী পর্বে।


প্রিন্ট