ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

মনপুরায় আলাউদ্দীন হত্যা মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মনপুরা প্রতিনিধি-

ভোলার মনপুরায় আলোচিত ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার  (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দীন স্থানীয় ফকিরহাট বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিচার শিশু আদালতে চলমান থাকায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিরুদ্ধে এ মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এ আলামতকেই মামলার প্রধান প্রমাণ হিসেবে গণ্য করে আদালত। যদিও হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি মো. জয়নাল, এস ও কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন, “দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আলোচিত এ হত্যা মামলার এক আসামীর বিরুদ্ধে আদালতের রায় প্রমাণ করেছে, অপরাধীরা যে–ই হোক, আইনের চোখে কেউ ছাড় পায় না।”


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

মনপুরায় আলাউদ্দীন হত্যা মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

মনপুরা প্রতিনিধি-

ভোলার মনপুরায় আলোচিত ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার  (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দীন স্থানীয় ফকিরহাট বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিচার শিশু আদালতে চলমান থাকায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিরুদ্ধে এ মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এ আলামতকেই মামলার প্রধান প্রমাণ হিসেবে গণ্য করে আদালত। যদিও হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি মো. জয়নাল, এস ও কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন, “দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আলোচিত এ হত্যা মামলার এক আসামীর বিরুদ্ধে আদালতের রায় প্রমাণ করেছে, অপরাধীরা যে–ই হোক, আইনের চোখে কেউ ছাড় পায় না।”


প্রিন্ট