ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা! চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের! গাজীপুরে সিটি কর্পোরেশন উদ্দোগে পরিবেশবান্ধব মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ শুরু রাজাপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ, গোডাউন মালিককে জরিমানা নলছিটিতে পৃথক অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৪ গাজীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় মারধর: যুবদল নেতা বহিষ্কার জয়পুরহাটে ডিবির পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার নারী ব্যবসায়ীসহ দুই মাদক কারবারি কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান 

মহম্মদপুরে ভিজিএফের চালে ৪০% রাজনৈতিক ভাগের অভিযোগ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চালে ৪০ শতাংশ রাজনৈতিক ভাগের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এভাবে ভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় সাধারণ মানুষ ও প্রকৃত দুস্থদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহম্মদপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৪৩ হাজার ৫৬৩ জন হতদরিদ্র, গরিব ও দুস্থ পরিবারের জন্য সরকারিভাবে ৪৩৫ দশমিক ৩৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, এ বরাদ্দের প্রায় ৪০ শতাংশ ভিজিএফ কার্ড সরকারি দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে তালিকা করতে চাপ দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতীতে ভিজিএফ কার্ড বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তা অনেকটাই গোপনে হতো। কিন্তু বর্তমানে প্রকাশ্যেই ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ উঠছে। এতে করে প্রকৃত দরিদ্র ও দুস্থ মানুষ এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্যানেল চেয়ারম্যান জানান, উপজেলা বিএনপির নেতাদের চাপের মুখে প্রায় ৪০ শতাংশ ভিজিএফ কার্ড তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের দিতে হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মুধা। তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড বিতরণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। ওই কমিটিতে সংসদ সদস্যের দুজন করে প্রতিনিধি থাকেন। তারা তালিকা প্রণয়নে ইউনিয়ন পরিষদকে সহযোগিতা করেন। এখানে কোনো ধরনের ভাগবাটোয়ারার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঈদের ভিজিএফ কার্ড কোটার ভিত্তিতে বণ্টনের কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃত গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যেই এই সহায়তা দেওয়ার নিয়ম। রাজনৈতিক দলের ৪০ শতাংশ ভাগের বিষয়টি আমার জানা নেই।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহানুর জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা!

মহম্মদপুরে ভিজিএফের চালে ৪০% রাজনৈতিক ভাগের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৯:৫২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চালে ৪০ শতাংশ রাজনৈতিক ভাগের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এভাবে ভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় সাধারণ মানুষ ও প্রকৃত দুস্থদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহম্মদপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৪৩ হাজার ৫৬৩ জন হতদরিদ্র, গরিব ও দুস্থ পরিবারের জন্য সরকারিভাবে ৪৩৫ দশমিক ৩৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, এ বরাদ্দের প্রায় ৪০ শতাংশ ভিজিএফ কার্ড সরকারি দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে তালিকা করতে চাপ দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতীতে ভিজিএফ কার্ড বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও তা অনেকটাই গোপনে হতো। কিন্তু বর্তমানে প্রকাশ্যেই ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ উঠছে। এতে করে প্রকৃত দরিদ্র ও দুস্থ মানুষ এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্যানেল চেয়ারম্যান জানান, উপজেলা বিএনপির নেতাদের চাপের মুখে প্রায় ৪০ শতাংশ ভিজিএফ কার্ড তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের দিতে হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মুধা। তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ড বিতরণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। ওই কমিটিতে সংসদ সদস্যের দুজন করে প্রতিনিধি থাকেন। তারা তালিকা প্রণয়নে ইউনিয়ন পরিষদকে সহযোগিতা করেন। এখানে কোনো ধরনের ভাগবাটোয়ারার সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঈদের ভিজিএফ কার্ড কোটার ভিত্তিতে বণ্টনের কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃত গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যেই এই সহায়তা দেওয়ার নিয়ম। রাজনৈতিক দলের ৪০ শতাংশ ভাগের বিষয়টি আমার জানা নেই।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহানুর জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


প্রিন্ট