ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরগুনার তালতলীতে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২ বরগুনায় প্রথম, বাল্যবিবাহকে ‘না’ বললো আমতলী গাজীপুরে শ্রীপুরে বিন্দুবাড়ী গাউসুল আজম মাদ্রাসার এডহক কমিটি গঠন শিক্ষার আলো ছড়ানো ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪৩ তম জন্মবার্ষিকী পালিত গুরুদাসপুরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে জীবিকা উপকরণ ও অনুদানের চেক বিতরণ রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভাঙচুর, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ!

বিআইডব্লিউটিএ সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা ( বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়াগেছে। অভিযোগের ভাষ্যমতে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের ষষ্ঠ তালায় তার তার অফিস। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি একই চেয়ারে থেকে কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের নামে বেনামি চিঠি লেখা তাদের নামে বিভাগীয়় মামলা দেওয়ার় পরে তাদের ডেকে এনে বদলী ও সাসপেন্ডের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

অভিযোগ মতে চাকরি দেওয়া, বদলি বাণিজ্য করা, ঘাটের টেন্ডার ইজারা দেওয়া- সব জায়গায় হস্তক্ষেপ করেন তিনি। বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব ওয়াকিল নেওয়াজেকে না হলেও দশ কোটি টাকা ইনকাম করে দিয়েছেন এ পথে। নিজেও হাতিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি টাকা। তিনি একই চেয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী করছেন। তার কোন বদলী হয়না এ বিষয়ে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, কুমিল্লার গোমতী নদীর ওই পারে তিনি কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিশাল একটি বাংলো বাড়ী নির্মাণ করেছেন। এলাকায় তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত। কুমিল্লা শহরে কোতোয়ালি থানার পাশে মুগলটুলিতে জামে মসজিদের পাশে সাততলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার নামে দুটো প্রাইভেট কার কার আছে। সেগুলো তিনি বাড়েিত গেলে ব্যবহার করেন। এলাকায় তার বিশাল মাছের ঘের ও গরুর খামার রয়েছে। এলাকায় সবাই জানেন যে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় চাকরি করেন । ঢাকায় তিনি আলিশান ফ্লাটে থাকেন এবং একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলিয়ে় তার বেতন ৬০ হাজার টাকা। সেখানে এত সম্পদ কিভাবে করলেন সেটাই এখন সকলের প্রশ্ন।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমার সকল সম্পদ বৈধ। আমি কোন অনিয়ম,দুর্নীতি করি না। একই কর্মস্থেেল ১৫ বছর চাকুরী করার বিষয়ে বলেন, আমার কর্তৃপক্ষ আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একই কর্মন্থলে রেখে দিয়েছেন। এটা কোন অপরাধ নয়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগি এই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৫ বছর কিভাবে একই কর্মস্থলে রয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও আয়ের সাথে সংগতিহীন সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের তদন্ত প্রার্থনা করেছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ!

আপডেট টাইম : ০৩:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিআইডব্লিউটিএ সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা ( বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়াগেছে। অভিযোগের ভাষ্যমতে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের ষষ্ঠ তালায় তার তার অফিস। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি একই চেয়ারে থেকে কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের নামে বেনামি চিঠি লেখা তাদের নামে বিভাগীয়় মামলা দেওয়ার় পরে তাদের ডেকে এনে বদলী ও সাসপেন্ডের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

অভিযোগ মতে চাকরি দেওয়া, বদলি বাণিজ্য করা, ঘাটের টেন্ডার ইজারা দেওয়া- সব জায়গায় হস্তক্ষেপ করেন তিনি। বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব ওয়াকিল নেওয়াজেকে না হলেও দশ কোটি টাকা ইনকাম করে দিয়েছেন এ পথে। নিজেও হাতিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি টাকা। তিনি একই চেয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী করছেন। তার কোন বদলী হয়না এ বিষয়ে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, কুমিল্লার গোমতী নদীর ওই পারে তিনি কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিশাল একটি বাংলো বাড়ী নির্মাণ করেছেন। এলাকায় তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত। কুমিল্লা শহরে কোতোয়ালি থানার পাশে মুগলটুলিতে জামে মসজিদের পাশে সাততলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার নামে দুটো প্রাইভেট কার কার আছে। সেগুলো তিনি বাড়েিত গেলে ব্যবহার করেন। এলাকায় তার বিশাল মাছের ঘের ও গরুর খামার রয়েছে। এলাকায় সবাই জানেন যে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় চাকরি করেন । ঢাকায় তিনি আলিশান ফ্লাটে থাকেন এবং একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলিয়ে় তার বেতন ৬০ হাজার টাকা। সেখানে এত সম্পদ কিভাবে করলেন সেটাই এখন সকলের প্রশ্ন।
এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমার সকল সম্পদ বৈধ। আমি কোন অনিয়ম,দুর্নীতি করি না। একই কর্মস্থেেল ১৫ বছর চাকুরী করার বিষয়ে বলেন, আমার কর্তৃপক্ষ আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একই কর্মন্থলে রেখে দিয়েছেন। এটা কোন অপরাধ নয়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগি এই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৫ বছর কিভাবে একই কর্মস্থলে রয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও আয়ের সাথে সংগতিহীন সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের তদন্ত প্রার্থনা করেছেন।


প্রিন্ট