ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

আপডেট টাইম : ০৬:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৩) গতকাল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা গোপালপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে সানি (২০), জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. স্বাধীন (২২), কাউসার আলীর ছেলে মো. রুবেল (২৫) এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৫) জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি’র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জেলার মোহাম্মদপুর থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুরো ঘটনা অবহিত করেন।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশরাফুজ্জামান পুলিশ ফোর্স সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সানি (২০) ও মো. স্বাধীন (২২)-কে আটক করেন। আটককৃত দুই আসামি ও ভুক্তভোগী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। মেডিকেল রিপোর্টে জানা যাবে কতজন ধর্ষণে জড়িত ছিল এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।


প্রিন্ট