ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

সম্রাট কোথায়, হাইকোর্টকে জানালেন আইনজীবী

অনলাইন ডেস্ক :

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলার আসামি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন। মেডিকেল চেকআপের জন্য গত ১৫ জুলাই তিনি কলকাতায় যান। চিকিৎসা শেষে ২৪ জুলাই তিনি দেশে ফিরে এসেছেন।

আজ বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে লিখিতভাবে এ তথ্য জানান সম্রাটের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী।

এর আগে, গত ১৬ জুলাই ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যাওয়ার তথ্য আদালতকে জানানো হয়। তার বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে ওই সময় দুদকের দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী হাইকোর্টকে এ তথ্য জানান।

এদিকে সম্রাটের বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দুদকের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্রাট নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসে পাসপোর্ট জমা দেওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন।

আজ বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুদকের এমন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

এ ছাড়া অভিযোগপত্রে ২১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, এ টাকা তিনি পাচার করেছেন। গত বছরের ২২ মার্চ অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তখন র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাট ও আরমান মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তাদের কাছে বিদেশি মদ ছিল। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তারের পর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হয়। পরে সম্রাটকে নিয়ে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখানে বন্য প্রাণীর চামড়া, মাদক ও অস্ত্র পাওয়ার কথা বলা হয়। বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

সম্রাট কোথায়, হাইকোর্টকে জানালেন আইনজীবী

আপডেট টাইম : ০৯:৫৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক :

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলার আসামি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন। মেডিকেল চেকআপের জন্য গত ১৫ জুলাই তিনি কলকাতায় যান। চিকিৎসা শেষে ২৪ জুলাই তিনি দেশে ফিরে এসেছেন।

আজ বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে লিখিতভাবে এ তথ্য জানান সম্রাটের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী।

এর আগে, গত ১৬ জুলাই ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যাওয়ার তথ্য আদালতকে জানানো হয়। তার বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে ওই সময় দুদকের দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী হাইকোর্টকে এ তথ্য জানান।

এদিকে সম্রাটের বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দুদকের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্রাট নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসে পাসপোর্ট জমা দেওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন।

আজ বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুদকের এমন আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

এ ছাড়া অভিযোগপত্রে ২১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, এ টাকা তিনি পাচার করেছেন। গত বছরের ২২ মার্চ অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তখন র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাট ও আরমান মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তাদের কাছে বিদেশি মদ ছিল। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তারের পর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হয়। পরে সম্রাটকে নিয়ে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখানে বন্য প্রাণীর চামড়া, মাদক ও অস্ত্র পাওয়ার কথা বলা হয়। বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।


প্রিন্ট