ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বৃদ্ধা মায়ের আকুতি: আমার সব সন্তানেরই অধিকার আছে, মেজ ছেলে কিছুই দিচ্ছে না রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরকিয়ার জেরে স্বামীকে বিষ খাইয়ে হত্যা: স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ি কারাগারে মুদি দোকানের আড়ালে চলছিল অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপের ব্যবসা; পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮১ বোতল, আটক ১ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা রোটারী ক্লাব অব গাজীপুর সেন্ট্রাল এর নবম চার্টার্ড ডে অনুষ্ঠান সম্পন্ন মাগুরায় পুলিশ সুপার কাপ সম্প্রীতির ফুটবল ২০২৬ অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ২৪ লাখ টাকার কালভার্ট নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, বিল পরিশোধের পরই ধসে পড়ল সংযোগ সড়ক পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিরোধ: বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে হয়রানির অভিযোগ জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি আবু বকর, সম্পাদক শামীম কাদির

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বেশি চাকরি হারাবেন নারীরা

অনলাইন ডেস্ক :

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর কারণে চাকরি হারানোর ক্ষেত্রে নারীরাই সামনের কাতারে। সোজা কথায় বললে, এইআই-এর কারণে পুরুষের তুলনায় নারীরাই সবচেয়ে বেশি চাকরি হারাবেন। এমনটাই উঠে এসেছে ম্যাককিনজি গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের এক গবেষণা থেকে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এআই কিংবা চাকরি ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর কারণে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জন নারীকেই নতুন চাকরি খুঁজতে হবে কিংবা নতুন করে নিজেদের অবস্থান বদলাতে হবে।

বিভিন্ন কম বেতনের চাকরিগুলোতে সাধারণ নারী কর্মীর সংখ্যা বেশি। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এআই-এর কারণে এসব কম বেতনের চাকরিই প্রভাবিত হবে বেশি। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অফিস সহায়ক, কাস্টমার সেবার মতো কাজগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি কিন্তু এসব জায়গা শিগগিরই এআই দিয়ে প্রতিস্থাপিত হবে। ২০৩০ সাল নাগাদ অফিস সহায়ক, কাস্টমার সেবার মতো ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৩৭ লাখ এবং ২০ লাখ চাকরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রতিস্থাপিত হবে।

এর বাইরেও বিক্রয়কর্মী, ক্যাশিয়ার এমনকি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মতো পেশার লোকদের কাজও প্রভাবিত হবে এআই-এর কারণে। এআই হয়তো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ সহজ করে দেবে কিন্তু একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করার সুযোগও তৈরি করবে।

নারীদের বাইরেও এই গবেষণায় কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিক শ্রমিকদের নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব লোকদের সাধারণত কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। ফলে তারা এই দশকের শেষ নাগাদ এই গোষ্ঠীর লোকজন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কাজ হারাবেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এআই-এর কারণে শারীরিক শ্রমের সঙ্গে জড়িতরা সবচেয়ে বেশি চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে থাকবেন। এমনকি কিছু কিছু হোয়াইট কলার চাকরি বা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে জড়িতরাও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

গবেষণায় এআই-এর কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য নারীদের বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গবেষকেরা বলেছেন, এআই-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নতুন দক্ষতা অর্জন এবং বিভিন্ন কাজের সুযোগ বিবেচনা করে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া উচিত।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বৃদ্ধা মায়ের আকুতি: আমার সব সন্তানেরই অধিকার আছে, মেজ ছেলে কিছুই দিচ্ছে না

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে বেশি চাকরি হারাবেন নারীরা

আপডেট টাইম : ০৬:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক :

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর কারণে চাকরি হারানোর ক্ষেত্রে নারীরাই সামনের কাতারে। সোজা কথায় বললে, এইআই-এর কারণে পুরুষের তুলনায় নারীরাই সবচেয়ে বেশি চাকরি হারাবেন। এমনটাই উঠে এসেছে ম্যাককিনজি গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের এক গবেষণা থেকে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এআই কিংবা চাকরি ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর কারণে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জন নারীকেই নতুন চাকরি খুঁজতে হবে কিংবা নতুন করে নিজেদের অবস্থান বদলাতে হবে।

বিভিন্ন কম বেতনের চাকরিগুলোতে সাধারণ নারী কর্মীর সংখ্যা বেশি। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এআই-এর কারণে এসব কম বেতনের চাকরিই প্রভাবিত হবে বেশি। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অফিস সহায়ক, কাস্টমার সেবার মতো কাজগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি কিন্তু এসব জায়গা শিগগিরই এআই দিয়ে প্রতিস্থাপিত হবে। ২০৩০ সাল নাগাদ অফিস সহায়ক, কাস্টমার সেবার মতো ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৩৭ লাখ এবং ২০ লাখ চাকরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রতিস্থাপিত হবে।

এর বাইরেও বিক্রয়কর্মী, ক্যাশিয়ার এমনকি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মতো পেশার লোকদের কাজও প্রভাবিত হবে এআই-এর কারণে। এআই হয়তো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ সহজ করে দেবে কিন্তু একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করার সুযোগও তৈরি করবে।

নারীদের বাইরেও এই গবেষণায় কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিক শ্রমিকদের নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, এসব লোকদের সাধারণত কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। ফলে তারা এই দশকের শেষ নাগাদ এই গোষ্ঠীর লোকজন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কাজ হারাবেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, এআই-এর কারণে শারীরিক শ্রমের সঙ্গে জড়িতরা সবচেয়ে বেশি চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে থাকবেন। এমনকি কিছু কিছু হোয়াইট কলার চাকরি বা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে জড়িতরাও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

গবেষণায় এআই-এর কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য নারীদের বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গবেষকেরা বলেছেন, এআই-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নতুন দক্ষতা অর্জন এবং বিভিন্ন কাজের সুযোগ বিবেচনা করে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া উচিত।


প্রিন্ট