ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান  বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য কালিয়াকৈরে একদিনে ৩০টি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন প্রশাসক চৌধুরী ইশরাক আহমেদ জয়পুরহাটে লাইসেন্সবিহীন সার ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান-জরিমানা ক্ষেতলালে নানা আয়োজনে ডায়াবেটিস সেবা দিবস উদযাপন ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ চাল ব্যবসায়ী আটক পঞ্চগড়ে মানব পাচার ও অনৈতিক কাজের অভিযোগে আটক ৫ রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট বক্স ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করল মাগুরা পুলিশ

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে!

  • মাগুরা প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৭০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।
আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ব বয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে!

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।
আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ব বয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।


প্রিন্ট