ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করায় উপপরিচালকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
নারী দিবসে অফিসের নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের (অ.দা.) একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী নারীসহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিরা। সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনকারী জানান, ২০২০ সালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান । পরে ক্রমানয়ে দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবাদ করতে গেলেই লালকালি দেয়ার ভয়ভীতি দেখানো হতো। কর্মচারীদের গায়েও হাত তোলেন তিনি। এছাড়া চারটি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। গত ৮ মার্চ নারী দিবসে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটু দেরী পৌছানোয় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক লৃনা বেগমের গায়ে হাত তোলেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। এমনকি অংশগ্রহণকারী নারীদেরও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারী দিবসের অনুষ্ঠানেই ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ তোলেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে কার্যালয়ে ফিরে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিবাদ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তারা আরও জানান, গত বছরের ২৭ নভেম্বর চাপাইনবাবগঞ্জে তার বদলি হলে ক্ষমতার দাপটে এখনো তিনি চারটি অফিসে দিব্যি রাজত্ব করছেন।

এ সময় তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবি করেন। তা না হলে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কোন অফিসে কেউ অফিস করবেন না বলে হুশিয়ারি দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভুক্তভোগী প্রশিক্ষক লুনা বেগম, হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন, প্রশিক্ষক জান্নাতুল আয়শা জেলি, অফিস সহায়ক মকবুল হোসেন, বোদা উপজেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক আক্তারুল ইসলাম, দেবীগঞ্জ কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম ও সাবেক সঙ্গীত শিক্ষক জুথি আক্তার।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করায় উপপরিচালকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৩:০০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
নারী দিবসে অফিসের নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের (অ.দা.) একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী নারীসহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিরা। সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনকারী জানান, ২০২০ সালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান । পরে ক্রমানয়ে দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবাদ করতে গেলেই লালকালি দেয়ার ভয়ভীতি দেখানো হতো। কর্মচারীদের গায়েও হাত তোলেন তিনি। এছাড়া চারটি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। গত ৮ মার্চ নারী দিবসে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটু দেরী পৌছানোয় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক লৃনা বেগমের গায়ে হাত তোলেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। এমনকি অংশগ্রহণকারী নারীদেরও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারী দিবসের অনুষ্ঠানেই ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ তোলেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে কার্যালয়ে ফিরে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিবাদ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তারা আরও জানান, গত বছরের ২৭ নভেম্বর চাপাইনবাবগঞ্জে তার বদলি হলে ক্ষমতার দাপটে এখনো তিনি চারটি অফিসে দিব্যি রাজত্ব করছেন।

এ সময় তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবি করেন। তা না হলে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কোন অফিসে কেউ অফিস করবেন না বলে হুশিয়ারি দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভুক্তভোগী প্রশিক্ষক লুনা বেগম, হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন, প্রশিক্ষক জান্নাতুল আয়শা জেলি, অফিস সহায়ক মকবুল হোসেন, বোদা উপজেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক আক্তারুল ইসলাম, দেবীগঞ্জ কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম ও সাবেক সঙ্গীত শিক্ষক জুথি আক্তার।


প্রিন্ট