ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মণিরামপুরে কিশোরীকে অপহরণ-ধর্ষণের অভিযোগ, ১৫ দিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই এবার দারুস সালাম গাবতলি গরুর হাট সংলগ্ন বালুঘাটে অজ্ঞাতনামা মৃত দেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহায়তা চায় দারুস সালাম থানা পুলিশ দারুস সালামে অজ্ঞাতনামা অর্ধগলিত মৃত দেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহায়তা চায় দারুস সালাম থানা পুলিশ বোদায় দুই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীর পাস করল না কেউ গাজীপুরে জালিয়াতির মাধ্যমে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি খারিজের অভিযোগ, মামলা বিচারাধীন সমতার ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে চালু হলো ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন গাজীপুর সিটিতে ৫৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ, ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন মুরাদনগরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, পলাতক স্বামী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মণিরামপুরে কিশোরীকে অপহরণ-ধর্ষণের অভিযোগ, ১৫ দিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই

গ্রুপিং রাজনীতিতে মাগুরা-২ ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা!

আপডেট টাইম : ০২:৪২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য ভরাডুবির দায় কোনো একক ব্যক্তি বা ভোটারের নয়, এর মূল কারণ গ্রুপিং রাজনীতি। বিশেষ করে ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী এর পাশে থাকা কিছু নেতার ভূমিকা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরার রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তিশালী অংশ জড়িয়ে আছে স্বতন্ত্র ধারায়। বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল সেই ধারার কেন্দ্র-বিন্দু। সর্বশেষ বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে বিএনপি থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে তৃণমূল বিএনপির বহু সিনিয়র নেতা একতাবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে এডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরীর সঙ্গে থাকা বর্তমান গ্রুপটি চায় না, বিএনপির সব আমলের কর্মী-সমর্থক এক হয়ে ধানের শীষে কাজ করুক। কারণটা পরিষ্কার: গ্রুপিং ভাঙলে তাদের বিশেষ অবস্থান ও সুবিধা থাকবে না। তাই ঐক্যের বদলে গ্রুপিং টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে,যা সরাসরি ধানের শীষের ক্ষতি করছে।
বাস্তবতা হলো নিতাই রায়চৌধুরীর তৃণমূল ভিত্তি তুলনামূলক ভাবে দুর্বল। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে থাকা সংগঠকরা মাঠে বেশি গ্রহণযোগ্য, বেশি প্রভাবশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। এই সমীকরণে গ্রুপিং চলতে থাকলে ধানের শীষের ভরাডুবি অনিবার্য হয়ে উঠছে আর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে কাজী সালিমুল হক কামালের।
মাগুরা-২ এ ধানের শীষের জয়পরাজয়ের চাবিকাঠি এখন ঐক্য। গ্রুপিং রাজনীতি বন্ধ না হলে দায় ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আর বিজয়ের পাল্লা ঝুঁকবে স্বতন্ত্র ধারার দিকেই।


প্রিন্ট