ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান  বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য কালিয়াকৈরে একদিনে ৩০টি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন প্রশাসক চৌধুরী ইশরাক আহমেদ জয়পুরহাটে লাইসেন্সবিহীন সার ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান-জরিমানা ক্ষেতলালে নানা আয়োজনে ডায়াবেটিস সেবা দিবস উদযাপন ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ চাল ব্যবসায়ী আটক পঞ্চগড়ে মানব পাচার ও অনৈতিক কাজের অভিযোগে আটক ৫ রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট বক্স ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করল মাগুরা পুলিশ

মিরপুুরে আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেছা ওয়াকফ্ এস্টেটের সম্পত্তি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন!

  • আলী আফজাল আকাশ :
  • আপডেট টাইম : ১২:২৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৮৭৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর এলাকার দুয়ারীপাড়া মরুল বাউনিয়া মৌজাস্থ আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেছা ওয়াকফা এস্টেটের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওয়াকফা এস্টেটের প্রতিনিধিরা। তারা অভিযোগ করেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সহ স্থানীয় কিছু নামধারী সাংবাদিকদের যোগসাজশে আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশ অমান্য করে বিতর্কিত ভূমিতে অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আমজাদ হোসেন মোল্লা ও মোবারক হোসেন মেম্বার সাংবাদিকদের জানান, ওয়াকফ্ এস্টেটের পক্ষে অফিসিয়াল মোতায়ওয়ালি আব্দুল কালাম আনসারী (জামাল) মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং-১৫২১/২০২১ দায়ের করেন। মামলায় ভূমি মন্ত্রণালয় ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
তাদের দাবি, মামলাধীন মিরপুর এলাকার দুয়ারীপাড়া, বাউনিয়া ও মরুল মৌজার তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে মহামান্য আপিল বিভাগ ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন, যা এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু আদালতের সেই আদেশ সম্পর্কে অবগত থাকার পরও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টরা নালিশি ভূমিতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ওয়াকফা এস্টেটের খালি জমি দখল করে সেখানে বাড়ি ও বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া মামলার ৪ নম্বর বিবাদী রাজউক কর্তৃপক্ষও ওই বিতর্কিত জমিতে ভবন নির্মাণের অনুমোদন ও ছাড়পত্র দিচ্ছে, যা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমাননার শামিল।
এ ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগে কন্টেম্পট পিটিশন নং-৬২/২০২৪ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান বক্তারা। মামলাটির শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, মামলার ১১ নম্বর বিবাদী জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর জোন হাউজিং সেকশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে এখনও বিতর্কিত ভূমিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও তিনি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াকফা এস্টেটের প্রতিনিধিরা মহামান্য আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন, অবৈধ দখল ও নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ এবং প্রকৃত মালিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মিরপুুরে আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেছা ওয়াকফ্ এস্টেটের সম্পত্তি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন!

আপডেট টাইম : ১২:২৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর এলাকার দুয়ারীপাড়া মরুল বাউনিয়া মৌজাস্থ আইন উদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেছা ওয়াকফা এস্টেটের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওয়াকফা এস্টেটের প্রতিনিধিরা। তারা অভিযোগ করেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সহ স্থানীয় কিছু নামধারী সাংবাদিকদের যোগসাজশে আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশ অমান্য করে বিতর্কিত ভূমিতে অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আমজাদ হোসেন মোল্লা ও মোবারক হোসেন মেম্বার সাংবাদিকদের জানান, ওয়াকফ্ এস্টেটের পক্ষে অফিসিয়াল মোতায়ওয়ালি আব্দুল কালাম আনসারী (জামাল) মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং-১৫২১/২০২১ দায়ের করেন। মামলায় ভূমি মন্ত্রণালয় ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
তাদের দাবি, মামলাধীন মিরপুর এলাকার দুয়ারীপাড়া, বাউনিয়া ও মরুল মৌজার তফসিলভুক্ত সম্পত্তির বিষয়ে মহামান্য আপিল বিভাগ ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন, যা এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু আদালতের সেই আদেশ সম্পর্কে অবগত থাকার পরও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টরা নালিশি ভূমিতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ওয়াকফা এস্টেটের খালি জমি দখল করে সেখানে বাড়ি ও বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া মামলার ৪ নম্বর বিবাদী রাজউক কর্তৃপক্ষও ওই বিতর্কিত জমিতে ভবন নির্মাণের অনুমোদন ও ছাড়পত্র দিচ্ছে, যা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমাননার শামিল।
এ ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগে কন্টেম্পট পিটিশন নং-৬২/২০২৪ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান বক্তারা। মামলাটির শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
তারা আরও বলেন, মামলার ১১ নম্বর বিবাদী জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর জোন হাউজিং সেকশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে এখনও বিতর্কিত ভূমিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও তিনি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াকফা এস্টেটের প্রতিনিধিরা মহামান্য আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন, অবৈধ দখল ও নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ এবং প্রকৃত মালিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


প্রিন্ট